পটুয়াখালীতে ডাক্তারের অবহেলায় তরুন ক্রিকেটারের মৃত্যু


পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীতে ডাঃ আতিকুর রহমানের অবহেলায় তরুন ক্রিকেটার আরিফ হোসেনের মৃত্যুতে শহরে বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকালে ১০ টায় শহরের তিতাশ সিনেমা হলের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেয় শহরের ক্রিয়া সংগঠনের খেলোয়ার ও সচেতন মহল। বিক্ষোভ সমাবেশে অংশগ্রহনকারীরা অভিযুক্ত ডাঃ আতিকুর রহমানের বিরম্নদ্ধে শাস্ত্মিমুলক ব্যবস্থা, গ্রেফতার ও অশোভনীয় শেস্নাগান দিতে থাকে। অবিলম্বে অভিযুক্ত ডাঃ বিরম্নদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে পটুয়াখালী ক্রীড়া সংগঠক ও সচেতন মহল কঠোর কর্মসুচি পালনের হুশিয়ারী দেয়।

বিক্ষোভটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে প্রেস কাবের সামনে গিয়ে মিলিত হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।এসময়  বিক্ষোভ সমাবেশে জেলার বিভিন্ন ক্রিয়া সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশ শেষে জেলা প্রশাসকের কাছে স্বারক লিপি প্রদান করেন।

উল্লেখ্যঃ গত ২১ মার্চ বিকেল ৫টার দিকে গুরম্নতর অসুস্থ্য অবস্থায় পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় জেলার আমপেয়ার এসোসিয়েসন অন্যতম সদস্য তরুন ক্রিকেটার আরিফ হোসেন কে। এরপর ওই দিনের কর্তব্যরত ডাঃ আতিকুর রহমানকে মোবাইল ফোনসহ রোগীর অভিভাবক ডাকতে গেলে তার প্রাইভেট চেম্বারের ব্যাস্ত্মতা দেখিয়ে অন্য ব্যবস্থা নিতে বলেন। কোন উপায়ন্ত্ম না বিষয়টি পটুয়াখালী প্রেস কাবের সম্পাদক কাজল বরন দাসকে জানান। তাৎÿকি ভাবে কাজল বরন দাস বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করেন। জেলা প্রশাসক হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ককে জানান। এরপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডাঃ আতিকুর রহমানকে অসুস্থ্য আরিফকে দেখার নির্দেশ দিলে রাত ১১টা পরে ডাঃ আতিকুর রহমান ওয়াপে আসেন। ডাঃ আতিকুর রহমান ওয়াডে এসে প্রথমেই জানতে চায় আমার বিরম্নদ্ধে সুপারের কাছে কে নালিশ করেছে। প্রশ্নে রোগীর অভিভাবক ভিতস্ত হয়ে অস্বিকার করেন। রোগীকে কোন রকম না দেখে এই হাসপাতালে এ রোগের চিকিৎসা হবেনা বলে অসুস্থ্য আরিফকে বরিশাল অথবা ঢাকা নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি পুনঃ তার প্রাইভেট চেম্বারে চলে যান। পরে রোগী অভিভাবক রাতে বরিশাল নিয়ে যাওয়ার পথে আরিফ মৃত্যুর কোলে ঢলে পরেন। আরিফের মৃত্যুর খবরে নেমে আসে গোটা ক্রিড়াংগনে শোকে ছায়। পাশা-পাশি ডাঃ এর অবহেলার বিষয়টি নিয়ে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয় একাধিক মহলে।

এবিষয়ে মোবাইল ফোনে ডাঃ আতিকুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমার বিরম্নদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। প্রাইভেট চেম্বারে টাকা নিয়ে রোগী দেখলেও সেটা স্বাস্থ্যসেবার মধ্যে পরে। আমার যেতে একটু দেরি হয়েছে, সেটা আমি স্বীকার করছি। তবে রোগীর অবস্থা খারাপ ছিল। তাই কার মৃত্যু হয়েছে।
Share on Google Plus

About Unknown

This is a short description in the author block about the author. You edit it by entering text in the "Biographical Info" field in the user admin panel.
    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment